Posts

শ্যামচাঁদ বাগদির চিত্রশিল্প

Image
ছোটবেলায় মায়ের আলপনার মাধ্যমে শিল্পকর্মের প্রতি আকৃষ্ট ও অনুপ্রেরণা  । কিশোর বয়স থেকেই চিত্রশিল্পের প্রতি যথেষ্ট উত্সাহী  ।    নিজস্ব ভাবের বিভিন্ন অনুভূতির মধ্যদিয়ে ছবি আঁকা  ।  স্থানীয় দেওয়াল পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে কোলাজ প্রকাশ  ।   গ্রন্থের প্রচ্ছদ অঙ্কন করে থাকেন  ।  শ্যামচাঁদ বাগদির জন্ম বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরে  ।

বড়মহুলা কড়িধ্যা কালী মন্দির

Image
দেবী মায়ের গর্ভগৃহ এর সামনেই পূজনীয় অঘোর নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এর সমাধি মন্দির । আলোকচিত্রী-শ্যামচাঁদ বাগদি ইনি একজন স্থানীয় প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন।   আলোকচিত্রী-শ্যামচাঁদ বাগদি সমাধি মন্দিরটি শ্রীযুক্ত চণ্ডীপদ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক নির্ম্মিত। দেবী মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে  পূজনীয়  অঘোর নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এই  বড়মহুলা কালী  মন্দিরটি তৈরি করেদেন।প্রধান গেটের ভেতরে এক ফলকে খোদায় করা আছে--- আলোকচিত্রী-শ্যামচাঁদ বাগদি সেবক মহেশ্চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পুত্র শ্রী অঘোর নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সাকিম কড়িধ্যা সন 1329 সাল মাহ শ্রাবণ।  আলোকচিত্রী-শ্যামচাঁদ বাগদি শান্ত নির্জন স্থানে দেবী মায়ের মন্দির। সিউড়ি থেকে প্রায় 4 কিমি দূরে এই বড়মহুলা কালী মন্দির। আলোকচিত্রী-শ্যামচাঁদ বাগদি  তবে বেশীর ভাগ মানুষের কাছে দেবী মা বরমৌল মা কালী নামেও পরিচিত।এই গ্রামের দক্ষিণ দিকে বহু পুরনো একটি বট গাছ।বট গাছের সঙ্গে আরো চার-পাঁচ রকমের গাছ জড়িয়ে রয়েছে ।স্থানীয় মানুষজন বলে থাকেন, প্রায় 350 বছর আগে এই গাছের নিচে এক মাতৃ সাধক বসবাস করতেন ।তিনিই প্রথম এই দেবী মায়ের সাধক ছিলেন।গ্রামের এক ...

ইঁদুরের গজদন্ত : হাতির মতো তার দুটি দাঁত

Image
সিউড়িতে একটি বিশেষ সংবাদে হইচই ফেলে দেয় । সময়টি ছিল 1964 সালের ডিসেম্বর মাস । খবরটি ছিল সিউড়ি শহরে একটি অদ্ভুত ইঁদুর ধরা পড়েছে ।   আলোচ্য ইঁদুরগুলির মধ্যে একটির আলোকচিত্র ইঁদুরের আবার  হাতির মতো  দুটি দাঁত ।  আসলে ইঁদুরটির এই গজদন্তের কারণ হলো ক্ষতিকারক জেনেটিক পরিব্যক্তি বা মিউটেশন । কিছু দিন পরে একই স্থান থেকে আরো দুটি গজদন্ত যুক্ত ইঁদুরের বাচ্চা পাওয়া গিয়েছিল । কিছুদিন পরে ইঁদুর তিনটি মারা যায় । মৃত অবস্থায় ইঁদুর তিনটি সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সংগ্রহ শালায় সংরক্ষিত আছে । আসলে ইঁদুরটির এই গজদন্তের কারণ হলো ক্ষতিকারক জেনেটিক পরিব্যক্তি বা মিউটেশন । তথ্য সংগ্রহ  সৌজন্যে : কাঞ্চিদেশ পত্রিকা, সম্পাদক-শ্যামচাঁদ বাগদি, শীত সংখ্যা 1415, পৃ-12